মহানগর সময়একতরফা নির্বাচনের পরও মেয়াদ পূর্ণ করা সরকারের সফল্য : রাজনৈতিক বিশ্লেষক

ওমর ফারুক

fb tw
৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সে সময়ের প্রধান বিরোধী দল অংশ না নিলেও বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ গেলো ৪টি বছর সফলতার সাথেই সম্পন্ন করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। বিএনপির সহিংস ও ভুল রাজনৈতিক কৌশলের কারণেই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাইরে থাকা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা কোন দল এই প্রথম ৫ বছর মেয়াদ পূরণের পথে। 
আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও তার মিত্রগণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু বয়কট নয় সহিংস প্রতিরোধেরও চেষ্টা করে। 
বিএনপি-জামায়াত জোটের সহিংসতায় ভোট ও তার আগের দুদিনে হানাহানিতে প্রাণ যায় নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ অন্তত ২৫ জনের। ভোটের আগের দিন রাতেই ৪৩ জেলার দু'শর বেশি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। 
ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় মোট ৩০০ আসনের ১৫৩টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের প্রার্থীরা। তারপরও বিশ্লেষকরা মনে করেন সেই ভোটের বিকল্প কিছু ছিল না। 
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আসলে ছাড় দেয়ার পথে ছিলো। কিন্তু যখন দেখা গেল বিএনপি অনমনীয়, সহায়ক সরকার বা তত্ত্ববধায়ক সরকারের প্রশ্নে, তখন আওয়ামী লীগ এই পথ থেকে এসে নির্বাচনের পথে গিয়েছিলো।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন আপনাকে করতেই হতো। কারণ এটা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা। এই নির্বাচনের বিকল্প কী? বিকল্প- একটি অসাংবিধানিক শক্তির ক্ষমতায় আসার সুযোগ ছিলো। নিশ্চয়ই আমরা কেউই অসাংবিধানিক কোনো শক্তি চাই না।’ 
৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনই দেশের একমাত্র একতরফা ভোটের নজির নয়। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী বিএনপিও একই ধরণের ভোট করে। তবে সেই সংসদ টিকে ছিল মাত্র ১৫ দিন। বিশ্লেষকদের কাছে প্রশ্ন ছিল একই ধরণের নির্বাচনের পরও ১০ম জাতীয় সংসদের এমন দীর্ঘায়ূর কারণ কী? 
সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘কতটা গ্রহণযোগ্য হবে- এই ভয়টা আওয়ামী লীগেরও ছিলো। তাদের অনেকেই বলতেন আমরা শিগগিরই একটা নির্বাচন দেব। কিন্তু যতোদিন গেল, বিএনপির পদ্ধতিগুলি সঠিক ছিলো না। তারা জ্বালাও-পোরাও-এ না গিয়ে যদি অহিংস আন্দোলন করতো, তাহলে হয়তো জনগণের সমর্থন পেত। একটা দেশের যখন অর্থনীতি ৭-৭.৫ শতাংশ করে বাড়ে, সেই দেশের একটা নিজস্ব গতিশীলতা তৈরি হয়ে যায়। সেই গতিশীলতা সরকারকে সাহায্য করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে এই সরকার একটা গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে গেছে।’
তারেক শামসুর রেহমান বলেন, ‘সরকার উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েছে এবং অনেক মেগা প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে। উন্নয়নের জন্য যেসব রেলেভেন্ট বিষয় আমাদের দরকার, যেমন বিদ্যুৎ- বিদ্যুতের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। মানুষের চাহিদাগুলো পূরণে সরকার সচেষ্ট ছিলো। সেটা সরকারের প্লাস পয়েন্ট।’
তবে দু বিশ্লেষকই মনে করেন ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৫ই জানুয়ারীর পূনরাবৃত্তি হবে অনাকাঙ্খিত।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop