মহানগর সময়পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা কমেছে

কমল দে

fb tw
গেল চার বছরে গার্মেন্টস কারখানায় আগুনে মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এ সময় সারাদেশে সাড়ে পাঁচশ অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনায় মারা গেছে একজন। অথচ তার আগের দু’বছরে ৫১০টি আগুনের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৩৬ জন শ্রমিকের। তবে হতাহত প্রতিরোধে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে আরও বেশি ছাড় দেয়ার দাবি বিজিএমইএ’র।
২০১২ সালে ঢাকার আশুলিয়া তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টসে আগুন এবং তার পরের বছর সাভারের রানা প্লাজা ধসে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে একেবারে খাদের কিনারায় নিয়ে যায়। আবার এ দু’টি ঘটনায় গার্মেন্টস শিল্পের অগ্রগতির মোড়ও ইতিবাচকভাবে ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগে প্রতি বছর আগুনে রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের গার্মেন্টসগুলোতে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও এখন তা একেবারে কমে এসেছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গেল ৪ বছরে প্রায় সাড়ে ৫০০ আগুনের দুর্ঘটনায় মাত্র একজন মারা গেছে। অথচ ২০১২ ও ২০১৩ সালে পাঁচশোর বেশি আগুনের দুর্ঘটনায় ১৩৬ জন প্রাণ হারায়।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৭ সালে ৫০টির বেশি গার্মেন্টসে তেমন কেউ হতাহত হয়নি। ২০১৬ সালে ৩১১টি আগুনের ঘটনায় আহত হয়েছে ৫ জন। ২০১৫ সালে ৩০টি আগুনের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি, ২০১৪ সালে ১৫২টি আগুনের ঘটনায় ১ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়। ২০১৩ সালে ১৯ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছিল, ২০১২ সালে ২৫৭টি আগুনের মৃত্যু ১১৭ জনের, আহত ৭০ জন শ্রমিক।
ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স’র পরিচালক (অপারেশন) মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, এখন কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে তারা সহজেই বেরিয়ে আসতে পারছেন কিংবা নিজেরাই আগুন নিভাতে সক্ষম হচ্ছেন। আমরা এই অবস্থার আরও উন্নতি করতে চাই। 
মূলত অত্যাধুনিক অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পাশাপাশি শ্রমিকেরাও সচেতন হয়ে ওঠায় এ ধরণের অগ্রগতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স’র চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, প্রতিটি কারখানার ১৮ শতাংশ শ্রমিককে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এছাড়া কারখানা মালিকদের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বোঝানো হয়েছে।
মূলত তাজরীন ফ্যাশন ও রানা প্লাজার ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর দেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোর সংস্কারে তোড়জোড় শুরু করে ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও আ্যালায়েন্স। ফলে গার্মেন্টস মালিকেরা কারখানায় অত্যাধুনিক অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রপাতি স্থাপনে বাধ্য হয়।
বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মাঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যদি আরও ফায়ার ইক্যুয়েপমেন্টের ব্যবস্থা করেন তবে আমরা এ অবস্থার আরও উন্নতি ঘটাতে পারব।
দেশে বর্তমানে ৭ হাজারের বেশি গার্মেন্টস কারখানার নিবন্ধন থাকলেও এর মধ্যে পুরোদমে চালু রয়েছে ৫ হাজারের বেশি গার্মেন্টস কারখানা। এর মধ্যে চট্টগ্রামে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৪শ গার্মেন্টস।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop