ksrm

খেলার সময়হাথুরুর লঙ্কাকে পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
কোচের পদটি ফাকাই আছে টাইগারদের। কারণ, অকালেই দল ছেড়েছেন হাথুরুসিংহে। শুধু কি তাই! লঙ্কানদের কোচ হয়ে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে এসেছেন বাংলাদেশ সফরে।
এই মাশরাফিদের নিয়ে গত সাড়ে তিন বছরে কতই না সুখস্মৃতি হাথুরুর। তবে প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতাই পেতে হলো লঙ্কান কোচকে।
কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন ব্যাটসম্যানরা। মিরপুরে ৩২১ রানের লক্ষ্যটা তো আর সহজ না! তারপরে আবার লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের দাঁড়াতেই দেননি মাশরাফি সাকিবরা।
ইনিংসের শুরুতে নাসিরের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মাশরাফি। ক্যাপ্টেনের আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন দারুণভাবে। তৃতীয় ওভারেই বোল্ড করেন কুশাল পেরেরাকে (১)। বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই আরেক ওপেনার উপল থারাঙ্গাকে (২৫) তুলে নেন অধিনায়ক নিজেই। এরপর কুশাল মেন্ডিসকে (১৯) ফিরিয়ে লঙ্কান শিবিরে চাপ অব্যাহত রাখেন মাশরাফি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেকে ফিরে পাওয়া মোস্তাফিজ এদিনও ছিলেন দারুণ ছন্দে। নিরোশান ডিকওয়েলাকে (১৬) বোল্ড করে ফেরান দারুন এক ডেলিভারিতে।
গত দিনের ম্যাচসেরা সাকিব যে এতক্ষণেও বোলিংয়ে আসেননি সেটা একেবারেই বোঝা গেলো না। বোলিংয়ের আক্ষেপটি তিনি মেটালেন চমৎকার থ্রতে চান্দিমালকে রান আউট করে। পরে অবশ্য বোলিংও করেছেন সাকিব। আর স্বভাবসুলভ ব্রেকথ্রুতে এনে এক একটি করে পেরেক ঠুকেছেন লঙ্কান কফিনে। পরপর দুই বলে তুলে নেন অ্যাশলে গুনারত্নে (১৬) এবং হাসারাঙ্গাকে (০)। এরপর দর্শকে টইটম্বুর গ্যালারিতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও নীরবতা আনতে সক্ষম হন থিসারা পেরেরা। ১৪ বলে ২ ছক্কা আর ৩ চারে ২৯ রান করেন এ বাঁহাতি। তবে পেরেরাকে ফিরিয়ে স্টেডিয়ামে ফের উল্লাস ফেরান সাকিব।
এরপর আর কেউ সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। আকিলা ধনঞ্জয়কে (১৪) ফেরান রুবেল। ৩২.২ ওভারেই লঙ্কানদের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৫৭ রানে। ১৬৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বাংলাদেশ।
 সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
বাংলাদেশ ৩২০-৭ (ওভার ৫০) তামিম ৮৪, সাকিব ৬৭: পেরেরা ৩-৬০
শ্রীলঙ্কা ১৫৭ (ওভার ৩২.২) পেরেরা ২৯, চান্দিমাল ২৮: সাকিব ৩-৪৭
ফলাফলঃ ১৬৩ রানে জয়ী বাংলাদেশ।
ম্যাচ সেরাঃ সাকিব আল হাসান
হাথুরুবাহিনীকে বাংলাদেশের রানচাপা
নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে নাস্তানাবুদ করা টাইগাররা এদিন যেনো আরও আত্মবিশ্বাসী। তামিম, সাকিব আর মুশফিকের ফিফটিতে লঙ্কানদের সমনে রানের পাহাড় দাঁড় করায় বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং এনামুল হক বিজয়। ৩৫ রানে এনামুল ফিরে গেলেও প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১১ হাজার রানের মাইলফলক পূরণ করা তামিম খেলেছেন ৮৪ রানের অসাধারণ ইনিংস। এরপর ৬৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে রানের চাকা সচল করেন সাকিব। অ্যাশলে গুনারাত্নের বলে কট এন্ড বোল্ড হয়ে ফেরার আগে সব ফরম্যাট মিলিয়ে দশ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন এ বাঁহাতি। দুই বন্ধু ফিফটি করেছেন তবে বাদ থাকবেন কেন মুশফিক। ৫২ বলে ৬২ রান করে পেরেরার ইয়র্কারে কাটা পড়েন মুশি। তার আগে মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে কার্যকরী ২৪ রান।
মাহমুদুল্লাহ মুশফিক ফেরার পর লোয়ার অর্ডারে রানের চাকাটা সেভাবে ঘোরাতে পারেনি। ৬ রান করে ফেরেন অধিনায়ক মাশরাফি। কোন রান যোগ না করে প্রথম বলেই প্রদীপের বলে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়েন নাসির। তবে শেষ দিকে সাব্বিরের ১৩ বলে ২৪ রানে ভর করে ৩২০ রান করে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন অপরাজিত থাকেন ৬ বলে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop