ksrm

শিক্ষা সময়এ যেন শুভঙ্করের ফাঁকি

শিক্ষা সময় ডেস্ক

fb tw
বছরে একবার আয় ব্যয়ের হিসেব জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও বছরের পর বছর আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা দেন না দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি প্রতিষ্ঠার পর একবারের জন্যও হিসেব জমা দেয়নি এমন বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে ৭টি।
এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইউজিসির আহ্বান, অনুরোধ কিংবা হুঁশিয়ারি কিছুই কানে তোলেননি বিশ্ববিদ্যালয় মালিকরা। তবে মালিকরা অবকাঠামো খাতে আয়কৃত টাকা ব্যয় হয় দাবি করলেও বিষয়টিকে অনৈতিক বলছেন শিক্ষাবিদরা।
এ যেন শুভঙ্করের ফাঁকিকেও হার মানানো। ৯০-এর দশকে নামে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা, অথচ এখানে একে অন্যের সাথে পাল্লা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিবছর অবৈধভাবে আয় করে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। নিয়ম অনুযায়ী আয় করা এ অর্থ শিক্ষা এবং উন্নয়নখাতে ব্যয় করার কথা। কিন্তু সে অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে, কার পকেটে যাচ্ছে তার কোন হিসেব নেই। প্রতিবছর একবার করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এ হিসেব জমা দেয়ার কথা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ইউজিসির কাছে। শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় সব শেষ বছরে এ হিসেব জমা দিয়েছে। বাকীরা পাত্তা দেয়নি ইউজিসির চিঠিকে। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর।
ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, শুরু থেকে কখনোই অডিট রিপোর্ট কেউ দেয়নি। ১৮ বছর ২৩ বছর ১৩ বছর কোন রিপোর্ট তারা দেয়নি।
প্রায় ৩ দশক আগে প্রতিষ্ঠা হলেও এখন পর্যন্ত একবারও আয় ব্যয়ের হিসেব জমা দেয়নি, এমন বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি। অনেকে আবার হিসেব জমা দিলেও সেখানে আয় এবং ব্যয়ের ঘর সমান সমান দেখানো হয় । এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে চরম স্বেচ্ছাচারিতা বলছেন শিক্ষাবিদরা। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় হয় এই টাকা।
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. শফি আহমেদ বলেন, যতই বলুক বা যুক্তি দিক এই টাকা তারা উন্নয়নের জন্যে ব্যয় করছেন। কিন্তু অধিকাংশরা তা করছেন না।
প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসাইন বলেন, যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের যা বেঁচে যায় তা ব্যয় হবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন বা ছাত্রছাত্রীদের উন্নয়নের জন্যে।
সম্প্রতি ইউজিসির ৪৩ তম বার্ষিক প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক কমিটিতে সরকার নিয়োগকৃত একজন সদস্য রাখার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া আয় ব্যয়ের অডিটের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ দেয়া সিএ ফার্মকে দায়িত্ব দেয়ার সুপারিশ করা হয় এ প্রতিবেদনে।
বছরের পর বছর ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো লাগামহীন টাকা নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। কিন্তু নিজেদের আয় ব্যয়ের হিসাব দেন না সরকারের কাছে। আর এই হিসাব নেয়ার দায়িত্বও যাদের সেই ইউজিসির চিঠি এক দশক থেকে আমলে নেন নি এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা কম নয়। তাই অচিরেই বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে আইনের মধ্যে এনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop